Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রকল্প

 

গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প সমূহের নাম

সার-সংক্ষেপঃ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

একটি বাড়ি একটি খামার

 

    প্রকল্প

 

   (এবা এখা)

¯  একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মূল লক্ষে প্রতিটি পরিবারকে মানব ও
অর্থনৈতিক সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই আর্থিক কার্যক্রমের একক
হিসেবে গড়ে তোলার মধ্যে দিয়ে ২০১৫ সালের মধ্যে জাতীয় দারিদ্র ৪০% থেকে
২০% -এ নামিয়ে আনা।
দেশের সকল (৮৫০০০) গ্রামের ৫১ লক্ষ্য দরিদ্র/অতিদরিদ্র (প্রতি গ্রামে ৬০ টি)
পরিবারসহ সমিতিভূক্ত সকল পরিবারকে গ্রাম সংগঠনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের মূল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।
  ২০১৩ সালের মধ্যে গ্রামের প্রতিটি পরিবারকে কৃষি, মৎস্য চাষ, পশু পালন ইত্যাদি কাজের মাধ্যমে একটি কার্যকর ‘‘খামার বাড়ি’’ হিসেবে গড়ে তোলা।
  ২০১১ সালের মধ্যে প্রতি গ্রাম থেকে ৫ জন করে (কৃষি, পশু পালন, হাঁস-মুরগী পালন, মৎস্য চাষ, বৃক্ষ নার্সারী ও হর্টি কালচার ট্রেডের প্রতি বিষয়ে একজন) মোট ৪,২৫,০০০ সদস্যকে জীবিকাভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিয়ে খামার স্বেচ্ছাসেবী গঠন করা এবং
অন্যান্য বিষয়ে গ্রামকর্মী সৃজন করা।

¯  ২০১২ সালের জুনের মধ্যে ঋণ সহায়তার মাধ্যমে নিজে/সদস্যদের নিয়ে প্রতি গ্রামে ৫টি করে বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষিত কর্মীদের বাড়ীতে মোট ৪,২৫,০০০ টি প্রদর্শণী খামার গড়ে তোলা।

¯  বর্ণিত খামার স্বেচ্ছাসেবীদের সহায়তায় আগামী ২০১৩ সালের মধ্যে অবশিষ্ট সরাসরি উপকারভোগী ৪৬,৬৭,০০০ পরিবারসহ গ্রামের অন্যান্য পরিবারে  অনুরূপ খামার বা জীবিকাভিত্তিক কার্যক্রম নিশ্চিত করা।

¯  ২০১৩ সালের মধ্যে অনিবাসী ভূমি মালিকদের ভূমিসহ গ্রামীণ সকল সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার ও সম্পত্তির মালিকানা নিশ্চিত করা।

¯  ২০১৩ সালের মধ্যে প্রকল্প থেকে গ্রাম সংগঠনের অতিদরিদ্র/দরিদ্র সদস্যদের মাসিক সঞ্চয়ের বিপরীতে সমপরিমাণ কন্ট্রিবিউটরি মাইক্রোসেভিংস প্রদানের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের বছরে ব্যাক্তি সঞ্চয় নূন্যতম ৫,০০০/= টাকায় উন্নীত করা যা ২ বছরে ১০ হাজার এবং ৫ বছরে ৪০ হাজার টাকায় উন্নীত হবে।

¯  ব্যাক্তি তহবিলে কন্ট্রিবিউটরি অর্থের অতিরিক্ত প্রতিটি সংগঠনকে বছরে তাঁদের নিজস্ব সঞ্চয়ের সমপরিমাণ প্রকল্প থেকে মূলধন সহায়তার মাধ্যমে দু’বছরে মোট
৯,০০,০০০/= টাকা গ্রাম সংগঠন তহবিল গড়ে তোলা।

¯  প্রধান কৃষি ফসলের পাশাপাশি আদা, হলুদ, পেঁয়াজ, রসুন, জিরা, মসলা, বিভিন্ন ফল এবং অন্যান্য অপ্রধান কৃষি ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রতিটি বাড়ির সংস্লিষ্ট জমি ব্যবহার করা।

¯  মাছ চাষের পাশাপাশি গ্রামীণ জনগণের মাধ্যমে অন্যান্য aqua culture কার্যক্রম
সম্প্রসারণ করা।

¯  উপজেলা পর্যায়ে বর্তমান সুবিধা (বিআরডিবি/বিএডিসি’র গোডাউন) ব্যবহার করে একটি করে সমবায়ভিত্তিক বাজার ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ (হিমাগারসহ) ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

¯  কৃষিজাত পণ্যের সমবায় ভিত্তিতে মার্কেটিং ও প্রক্রিয়াজাত করার বিষয়ে লাগসই প্রযুক্তি ব্যবহারের কার্যক্রম গ্রহণ করা।

  •  

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচী

 

(সিভিডিপি) ২য় পর্যায়

 

গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও

সমবায় মন্ত্রণালয়ের ‘‘পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ’’ কর্তৃক

পরিচালিত সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচী (সিভিডিপি) সমবায় ভিত্তিক

একটি পল্লী উন্নয়ন মডেল প্রকল্প। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো গ্রামের

সকল শ্রেণী ও পেশার জনগোষ্ঠীকে একক সমবায় সংগঠনের আওতায় এনে

পরিকল্পিতভাবে সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষে দারিদ্র বিমোচনসহ

আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সাধন করা। ১ম পর্যায়ের প্রকল্প সফলভাবে

বাসত্মবায়িত হওয়ার পর সিভিডিপি-২য় পর্যায় শীর্ষক প্রকল্প ১৬ই মার্চ

২০১০ইং তারিখে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায়

(একনেক) অনুমোদিত হওয়া এবং বার্ড, আরডিএ, বিআরডিবি ও সমবায়

অধিদপ্তরের মাধ্যমে ৬৪টি জেলার ৬৬টি উপজেলার ৪২৭৫টি গ্রামে জুলাই

২০০৯ইং থেকে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। প্রকল্পের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো

গ্রামের সকল শ্রেণী ও পেশার জনগোষ্ঠীকে গ্রাম ভিত্তিক একটি সার্বিক গ্রাম

উন্নয়ন সমবায় সমিতির আওতায় নিয়ে এসে তাদের আর্থ-সামাজিক

পরিবর্তন সহ সামগ্রিক উন্নয়ন সাধন করা।                             

এছাড়াও  প্রকল্পভূক্ত প্রতি গ্রামে একটি সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমিতি গঠন

করা।

¯  সকল শ্রেণী ও পেশার জনগোষ্ঠীকে স্বতস্ফুর্ত অংশ গ্রহণের মাধ্যমে

একটি সমবায় সংগঠন গড়ে তোলা।
¯ 
সমবায়ের সকল নীতির কার্যকর ভাবে প্রয়োগ করা।

¯  গ্রামের জনগণ সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণের মাধ্যমে বার্ষিক উন্নয়ন

পরিকল্পনা গ্রহণ করা।

¯  বেঞ্চ মার্ক জরীপের মাধ্যমে গ্রাম তথ্য বইয়ের ভিত্তিতে গৃহীত

   উন্নয়ন পরিকল্পনা সকল সদস্যের অংশ গ্রহণের বাস্তবায়ন করা।
¯ 
প্রতিটি সমিতির বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষিত গ্রাম উন্নয়ন কর্মী-সৃষ্টি এবং

   তাদের মাধ্যমে সরকারী সেবা পৌছানো নিশ্চিত করা।

  ইউনিয়ন পরিষদ বাস্তবায়ন কমিটির মাধ্যমে সকল

    জাতিগঠনমূলক বিভাগের সেবা গ্রামে পৌছানো নিশ্চিত করা।
 
প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সমবায় ব্যবস্থাপনা হিসাব রক্ষণ পদ্ধতি, নারীর

ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, পশুপালন, মৎস্য

চাষ ইত্যাদি দক্ষ মানব সম্পদ তৈরী করা।

আত্নকর্মসংস্থান মূলক প্রশিক্ষন যেমন-সেলাই মেশিন, হস্তশিল্প ,

ইলেকট্রিক্যাল ,বিষয়ক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণ করা।

¯  নিজস্ব পুঁজি ও স্থানীয় সম্পদ ব্যবহার করে আত্ম-কর্মসংস্থানের

সুযোগ সৃষ্টি করা।

¯  গ্রামকে উন্নয়নের কেন্দ্র বিন্দু হিসাবে প্রতিষ্ঠা করা।

  1.  

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সমন্বিত দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচী

 

(সদাবিক)

দারিদ্র বিমোচন বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। দারিদ্য বিমোচনের লক্ষ্যে রাজস্ব

বাজেটভূক্ত সমন্বিত দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচী বাস্তবায়নের দায়িত্ব বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন

বোর্ড (বিআরডিবি) হাতে নিয়েছে। দেশের ৬৪ টি জেলার ৪৪৬টি উপজেলায় সমন্বিত

দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচী (সদাবিক) এর কার্যক্রম ১লা জুলাই ২০০৬ইং তারিখ থেকে শুরু

হয়েছে। পল্লী এলাকার বিত্তহীন জনগোষ্ঠীকে (পুরুষ ও মহিলা) অনানুষ্ঠানিক দলভূক্ত করে

আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও সঞ্চয় জমার মাধ্যমে

আয়বর্ধন মূলক কর্মকান্ড ভিত্তিক ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা, মানব সম্পদ উন্নয়ন,

পেশাভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ, মহিলাদের সচেনতা ও ক্ষমতায়নের সুযোগ

সৃষ্টি করে দারিদ্র বিমোচন পূর্বক সার্বিক জীবন যাত্রার গুনগত মান উন্নয়নই এই কর্মসূচীর

মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের

 

পোষ্যদের জন্য প্রশিণ এবং

 

আত্মকর্মসংস্থান কর্মসূচী

 

 

 

 

 

মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। দেশ মাতৃকার স্বাধীনতায় মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ

ও অবদানের প্রতি লক্ষ্য রেখে তাঁদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক

মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেশের ৪৬০টি উপজেলা হতে প্রাথমিক পর্যায়ে ২৫,০০০ জন

অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও পোষ্য শনাক্ত পূর্বক তাদের ব্যাক্তিগতভাবে ক্ষুদ্রঋণ

কর্মসূচী পরিচালনা প্রশিক্ষণ প্রদান ইত্যাদির মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এই

প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য। প্রকল্পটির সাংগঠনিক কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্র ঋণ

কার্যক্রমে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সরকারি খাতের একক বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান হিসেবে

বিআরডিবি বর্ণিত কাজ বাস্তবায়ন করবে। এতদপ্রেক্ষাতে স্থানীয় সরকার পল্লী

উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (১ম পক্ষ) ও মুক্তিযুদ্ধ

বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (২য়পক্ষ) এর মধ্যে

সমঝোতা স্বারক প্রণয়ন করা হয়। বিভিন্ন কারনে অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধারা ধীরে

ধীরে অসচ্ছল হয়ে পড়ে। অনেকে মানবেতর জীবন যাপন করছে। মুক্তিযোদ্ধাদের

দারিদ্র লাঘব করে তাদের পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনা ও সামাজিক

মর্যাদা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুসারে অসচ্ছল

মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পোষ্যদের জন্য প্রশিক্ষণ এবং আত্ম-কর্মসংস্থান কর্মসূচী

শীর্ষক কর্মসূচী গৃহীত হয়েছে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও

তাঁদেরকে আত্ম-নির্ভরশীল করে গড়ে তোলা এবং এর মাধ্যমে তাঁদের দারিদ্র লাঘব

করা। এছাড়াও অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পোষ্যদের বিভিন্ন বৃত্তিমূলক

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধিপূর্বক আত্ম-কর্মসংস্থানমূলক প্রকল্প গ্রহণে উদ্বুদ্ধ

করা প্রকল্পের লক্ষ্যও উদ্দেশ্য।